Sunday, August 7, 2011
Saturday, October 9, 2010
Farooki-Tisha pirit

bier khabor er aage porun prem-er khabor.
link> http://www.eprothomalo.com/index.php?opt

ninduker mukhe chhai prodan purbok tahara bibaho koribar ghosona dilen.........
cngrtzzzzz 2 FAROOKI-TISHA
Friday, October 8, 2010
Farooki VS. Tisha

হুমায়ুন সাধুর দেওয়া বক্সিং গ্লাভস দুটি ভীষণ পছন্দ দুজনার, গ্লাভসের গায়ে লেখা আছে 'যুদ্ধের আগে যুদ্ধের সরঞ্জাম'
ছবি : কাকলী প্রধান
সংসার বড় 'ড্যাঞ্জারাস'!
এম এস রানা
১৫ জুলাই সকাল থেকেই বদলে গেল সব। দিনটাই যেন কেমন কেমন। সকালে ঘুম ভাঙতেই পরিবর্তনের ছাপটা স্পষ্ট। বারিধারার বাড়িটা অনেকটাই ফাঁকা ফাঁকা। সবাই বাইরে গেছে বিয়ের নানা আয়োজন সাজাতে। কী করবেন ভেবে পাচ্ছিলেন না সরয়ার ফারুকী। পত্রিকা পড়লেন। খানিকটা পায়চারি করলেন। সন্ধ্যায় বসলেন গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে।। হোটেল ওয়েস্টিনে নবদম্পতিকে শুভেচ্ছা জানাতে এলেন শিল্পী ও কলাকুশলীরা। অনুষ্ঠান শেষে রাতে মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ও তিশা উঠলেন বনানীর নতুন ফ্ল্যাটে। নতুন করে সাজানো, নতুন সংসার। পুরোটা সাজানো-গোছানো হয়নি এখনো। তবু বুক শেলফে বই উঠেছে, দেয়ালে দেয়ালে পেইন্টিং আর শোপিস ঝুলেছে, রান্নাঘরে চুলা জ্বলেছে। এখন স্ত্রীর ডাকে ঘুম ভাঙে সরয়ার ফারুকীর। আর স্বামীর জন্যই পরম মমতায় প্রয়োজনীয় সবটা তৈরি রাখেন তিশা। নিজ হাতে ফ্ল্যাট সাজিয়েছেন ফারুকী-তিশা দম্পতি। বাজার ঘুরে পছন্দ করে পর্দা কিনেছেন। কাঠ কিনে মিস্ত্রি ডেকে নিজ হাতে ডিজাইন করে ফার্নিচার গড়েছেন। আর কোন জিনিসটা কোথায় বসবে, নিজেরাই তা পছন্দ করেছেন। ফলে পুরো ফ্ল্যাটটা হয়ে উঠেছে দুজনের পছন্দের আসবাবে ঠাসা স্বপ্ন-সুখের ঘর।
১৫ জুলাই ছিল সরয়ার ফারুকী ও তিশার গায়ে হলুদ। ১৬ জুলাই হোটেল ওয়েস্টিনে বিয়ে-পরবর্তী সংবর্ধনা অনুষ্ঠান। ১৮ জুলাই তেজগাঁওয়ের নভো কনভেনশন সেন্টারে আরো একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠান। পরদিন সকাল থেকেই দুজনার শুটিং শুরু। তিশা ছুটেছেন উত্তরায়, আর সরয়ার ফারুকী পুবাইলে। তিশা অভিনয় করলেন ঈদের একটি টিভি নাটকে।। রাতে বাসায় ফিরে বিশ্রাম, দুষ্টুমি আর হৈচৈ। পেশাগত জীবনে খুব একটা পরিবর্তন না এলেও দুজনার জীবনযাপনের রুটিনটা বদলে গেছে অনেকখানি।
সরয়ার ফারুকী জানালেন, 'আগে ঘুম ভাঙত তিশার ফোন পেয়ে। এখন সে পাশ থেকে ডেকে তোলে। আগে রাতের ডায়াল লিস্টে তিশার নম্বর থাকত অসংখ্যবার, এখন তিশা পাশেই থাকে তাই ফোন করা হয় না।'
'সংসার যে করছি এটাই এখনো বুঝে উঠতে পারছি না'_হেসে জানালেন তিশা, 'মনে হচ্ছে আগে যেমন প্রেম করতাম, এখনো তাই করছি। ফারুকীর এক্সাইটমেন্ট দেখে আমার অনেক ভালো লাগছে। আমার সংসার, আমাদের সংসার! যখন যেভাবে পারছি, টুকটুক করে গোছাচ্ছি। সরয়ার ফারুকীও সাহায্য করছে। ও যে এতটা সংসারী হয়ে উঠবে বুঝতে পারিনি।' দাম্পত্য কলহ হয়েছে কি না জানতে চাইলে ফারুকী বললেন, 'এখনো হয়নি, হয়তো হবে। তবে আমরা দুজন দুজনকে এতটাই জানি যে কলহ হলেও তা দীর্ঘ হবে না।'
এরই মধ্যে তিশার মা এলেন মেয়ে আর মেয়ে-জামাইয়ের খোঁজ নিতে। তিশা বললেন, 'আমরা দুজন তো আমাদের শাশুড়িদের আদরের কারণে এখন পর্যন্ত বাসায় ভাত রান্না করতে পারিনি। দুজনই প্রতি বেলায় এত এত খাবার পাঠিয়ে দেন! সেই খাবার শেষ করতে আমরা ঘনিষ্ঠদের ডেকে এনে একসঙ্গে খাই।' একটু পরেই নাস্তা এল। চায়ের কাপে চুমুক দিলেন তিশা। সরয়ার ফারুকীর হাতে দৈনিক পত্রিকা। কথার ফাঁকে সরয়ার ফারুকী উঠে দাঁড়ালেন। রান্নাঘরের সামনের টেবিলটা মুছতে মুছতে বললেন, "সংসার বড় 'ড্যাঞ্জারাস' জিনিস। এখন যখন দেখি শখের টেবিলটার ওপর একটু পানি পড়েছে বা চা ছিটকে পড়েছে, আমার বুকের ভেতর খঁচ করে ওঠে। টিস্যু নিয়ে নিজেই মুছতে শুরু করি। ভেবেছিলাম সংসারে যা যা লাগে তিন দিনে সব কিনে ফেলব। এখন দেখছি টাকা দিয়ে তিন দিনে সংসার গোছানো যায় না। আমাদের মা-বাবারা কত কষ্ট আর ধৈর্য নিয়ে তাঁদের সংসার গুছিয়েছেন, এখন বুঝতে পারছি। তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধায় মাথা নত হয়ে আসছে।" পরদিন বিয়ে আর সরয়ার ফারুকী শুটিং করলেন একটি বিজ্ঞাপনচিত্রের
বিয়ের ছবি : নয়ন কুমার ও মিথুন
Monday, May 31, 2010
3PSN in Asia-Paicific Screen contest
ঢাকা, রবিবার, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪১৭, ১ জমাদিউস সানি ১৪৩১, ১৬ মে ২০১০
এশিয়া প্যাসিফিক অ্যাওয়ার্ডে 'থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার' রংবেরং প্রতিবেদকএবার এশিয়া প্যাসিফিক স্ক্রিন অ্যাওয়ার্ডে যাচ্ছে 'থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার'। মোস্তফা সরয়ার ফারুকী পরিচালিত এ ছবিটি চূড়ান্ত পর্বে বিশ্বের অন্যান্য ছবির সঙ্গে প্রতিযোগিতা করবে। পরিচালক সূত্রে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো 'থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার' সরাসরি অ্যাওয়ার্ড কমিটি কর্তৃক নির্বাচিত হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার গোল্ড কোস্টে ২ ডিসেম্বর এ প্রতিযোগিতার ফলাফল প্রদান করা হবে। 'থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার'-এর বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন মোশাররফ করিম, তিশা, তপু প্রমুখ।
এশিয়া প্যাসিফিক অ্যাওয়ার্ডে 'থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার' রংবেরং প্রতিবেদকএবার এশিয়া প্যাসিফিক স্ক্রিন অ্যাওয়ার্ডে যাচ্ছে 'থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার'। মোস্তফা সরয়ার ফারুকী পরিচালিত এ ছবিটি চূড়ান্ত পর্বে বিশ্বের অন্যান্য ছবির সঙ্গে প্রতিযোগিতা করবে। পরিচালক সূত্রে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো 'থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার' সরাসরি অ্যাওয়ার্ড কমিটি কর্তৃক নির্বাচিত হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার গোল্ড কোস্টে ২ ডিসেম্বর এ প্রতিযোগিতার ফলাফল প্রদান করা হবে। 'থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার'-এর বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন মোশাররফ করিম, তিশা, তপু প্রমুখ।
hot news: "FAROOKI+TiSHA" biye 16th july
চট্টগ্রাম
তাপমাত্রা : ৩০° সেলসিয়াস
তাপমাত্রা : ৩০° সেলসিয়াস
বগুড়া
তাপমাত্রা : ৩১° সেলসিয়াস
তাপমাত্রা : ৩১° সেলসিয়াস
সিলেট
তাপমাত্রা : ২৯° সেলসিয়াস
তাপমাত্রা : ২৯° সেলসিয়াস
খুলনা
তাপমাত্রা : ২৫° সেলসিয়াস
তাপমাত্রা : ২৫° সেলসিয়াস
বরিশাল
তাপমাত্রা : ২৫° সেলসিয়াস
তাপমাত্রা : ২৫° সেলসিয়াস
যশোর
তাপমাত্রা : ৩৪° সেলসিয়াস
তাপমাত্রা : ৩৪° সেলসিয়াস
একজন নির্মাতার আমন্ত্রণে শুটিং দেখতে গিয়েছিলেন মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। সেখানে অভিনেত্রী তিশাকে দেখে মুগ্ধতায় ছেয়ে গেল চোখ। সেই মুগ্ধতার রেশটা রয়ে গেছে আজও। প্রেমে মজেছেন দুজন, এখন কেবল ১৬ জুলাইয়ের অপেক্ষা। সেদিন বিয়ে করছেন তাঁরা দুজন। লিখেছেন এম এস রানা, ছবি তুলেছেন কাকলী প্রধান
গল্প শুরুর গল্প
তিশার সঙ্গে পরিচয় হয়েছে বেশ কিছু দিন। দুজনেই বুঝতে পারছেন প্রেমে পড়েছেন। কিন্তু মুখ ফুটে বলার সাহস হচ্ছে না। দুজনেই ইনিয়ে-বিনিয়ে তাদের মনের কথাটা বোঝানোর অন্তত চেষ্টা করেন। তিশা বলেন, 'আমার বড় বোন থাকলে তাঁর সঙ্গে আপনার বিয়ে দিতাম। সরয়ার ফারুকী বলেন, 'তোমার বড় বোন থাকলে তাকে আমি অবশ্যই বিয়ে করতাম। কিন্তু কতদিন!
একদিন ২০০৫ সালের ৩১ অক্টোবর, কালিগঞ্জে এক শুটিংয়ে তিশাকে সোজাসাপ্টা জিজ্ঞেস করলেন সরয়ার ফারুকী, 'আমি তোমাকে বিয়ে করতে চাই, তুমি কি আমাকে বিয়ে করবা?' হতভম্ব তিশা নিজেকে সামলে নিতে ১৫ সেকেন্ড সময় নিলেন। তারপরই সম্মতি জানালেন। ব্যস শুরু হয়ে গেল একটি প্রেমের গল্প।
ফারুকী বললেন, 'এর আশপাশে আরো কিছু গল্প আছে। আমরা তখন '৬৯'-এর শুটিং করছি। সিদ্ধান্ত নিলাম আর ধূমপান করব না। ঘরে প্রতিটি আনাচে কানাচে লিখে রাখলাম 'ডোন্ট স্মোক'। যেখানেই যাই, ওই লেখা। বালিশের নিচে, বাথরুমে। ড্রেসিংটেবিল, তোশকের নিচে, দরজায়_সব জায়গায়। ততদিনে তিশার কাছে খুলে বললাম জীবনের সব পাপ-পূণ্যের কথা। প্রেমের জন্য ধূমপান ছাড়ছি। কষ্ট নেই। কিন্তু মেজাজটা কেমন খিটমিটে হয়ে গেল। তিশা এলো সেবিকার মতো। তারপর ধীরে ধীরে কোথা থেকে কী হলো! এখন তো দেখছি আমাকেই সারা জীবন তার সেবা করে যেতে হবে।' হাসতে লাগলেন ফারুকী।
প্রথম প্রথম
"ফারুকী তো আমাকে আজ পর্যন্ত 'আই লাভ ইউ ' বলতেই পারেনি। প্রেম শুরু হয়েছে বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে।" হাসতে হাসতে বললেন তিশা। "প্রথম দিনেই সে আমার সঙ্গে তুমুল ঝগড়া করেছে। নানা বিষয়ে নানা জনের ব্যাপারে আমাকে বলছে। বুঝতে পারলাম মিয়া সাহেবের মেজাজ খারাপ। একটু পর পর এটা-সেটা নিয়ে হুকুম জারি। পরদিন আবার সব ঠিকঠাক। 'নো ম্যান্ডস ল্যান্ড' রিলিজের দিন (২০০৬ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি) ছিল ভালোবাসা দিবস। সেদিনই আমি মাকে জানাই আমাদের প্রেমের কথা। আমি আমার সব কিছুই মায়ের সঙ্গে শেয়ার করি। আমার মা কখনোই কোনো বিষয়ে জোর করেননি। তবে এ ব্যাপারে কিছু শর্ত দিয়েছিলেন আমাদের ভালোর জন্যই। এরপর শুরু হলো নতুন ঝামেলা। আমরা প্রেম করছি। নানা জনে জানতে চায়। আমরা এর কাছে লুকাই, ওর কাছ থেকে লুকাই। মুখ ফুটে বলতে পারছি না কাউকে। কী কষ্ট!"
ফারুকী বললেন, 'আসলে প্রেম বিষয়টা কেমন বাচ্চাদের মতো। নিজেরা আগে নিজেদের ব্যাপারে নিশ্চিত না হয়ে তো লোকজনকে বলে বেড়ানোর কিছু নেই। আমরা রাত জেগে কথা বলছি। আমি তাকে এসএমএস করি, সে আমাকে নানা ধরনের (কী ধরনের বলা যাবে না!) জোকস পাঠায়। দুজনে মিলে সংসার নিয়ে ডিসকাস করি। এমনকি আমরা আমাদের বাচ্চার নামও ঠিক করে ফেলেছি। ছেলে হলে পাপ্পু আর মেয়ে হলে চিঙ্কি।'
অতঃপর বিয়ে
দুই পরিবারের সবাই ততদিনে জানাজানি হয়েছে সব। এবার আলোচনা বিয়ে নিয়ে। তিশা জানালেন মজার তথ্য, 'প্রতি বছরই সরয়ার ফারুকী বলে, এ বছরই বিয়ে করব। এভাবে বেশ কয়েক বছর হলো। কিন্তু বিয়ে আর করা হয় না।
এ বছরের শুরুতেই ফারুকী জানাল আমার মনে হয় তোমার সঙ্গে আমার বিয়েটা এ বছরও হবে না। আর দেখুন কেমন করে বিয়ের সব ঠিকঠাক হয়ে গেল!'
ফারুকী বললেন, '১০-১৫ দিন আগে তো চরম ফ্রাস্টেটেড। দুজনে কথা বললাম। আসলে আমরা দুজন দুই রকম। তার চেয়ে বরং দুজন আলাদা হয়ে যাই।'
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সারদিন কোনো যোগাযোগ করলেন না তাঁরা। যখন ঘুমাতে গেলেন, ঘুম আর আসে না। শেষ পর্যন্ত ফোন। দিনটিকে তাঁরা নাম দিয়েছেন একদিনের বিচ্ছেদ। অবশেষে ১৮ মে দুই পরিবারের সম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত হলো ১৬ জুলাই বিয়ে করবেন তাঁরা। আনুষ্ঠানিকতা হবে দুই বার। একটি হোটেল ওয়েস্টিনে। অন্যটি সরয়ার ফারুকীর নিজ এলাকা নাখালপাড়ায়।
একটি সাজানো বাড়ি
এরই মধ্যে বনানীতে সরওয়ার ফারুকী সাজিয়ে তুলছেন নিজের ফ্ল্যাট। কেমন হবে সংসার, কার কী দায়িত্ব_সেটাও ঠিকঠাক। ফারুকী মশারি ছাড়া ঘুমাতে পারেন না, আবার তিশা মশারি সহ্য করতে পারেন না। ছাড় দিলেন ফারুকী। মশারি থাকবে না ঘরে। তিশার ঘরে এসি লাগে। ফারুকীর এসি সহ্য হয় না। সিদ্ধান্ত হলো এসি থাকবে কিন্তু ফারুকী যখন থাকবে এসি ছাড়া হবে না। বাসায় টিভি থাকবে দুটি। কারণ ফারুকী খবর দেখে শুরু করে বিজ্ঞাপন পর্যন্ত দেখেন, আর তিশার পর্যন্ত টিভি সিরিয়াল।
এভাবেই দুজনের পছন্দমতো সাজিয়ে তুলছেন নিজেদের ফ্ল্যাট। ফারুকী বললেন, 'একটা বিষয়ে এখনো মিল হতে পারিনি। শুটিং নিয়ে। আমার বক্তব্য হলো একজন ডিরেক্টরের বাসায় শুটিং হবে এটাই স্বাভাবিক।' তিশা থামিয়ে দিয়ে বললেন, 'কক্ষণো না, পেশাগত কাজটা অন্য কোথাও হবে। বাড়িতে শুটিং কক্ষণো না।'
ভবিষ্যতের শুরু
ফারুকী জানালেন আমাদের অনেক বিষয়ে অমিল। তাতে কিছু যায়-আসে না। আমরা আসলে একসঙ্গে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছি, এক সংসার গড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এক হওয়ার সিদ্ধান্ত নিইনি। আমরা কখনো আমাদের অমিলটাকে মিল করার চেষ্টা করি না। করব না।
Subscribe to:
Posts (Atom)